ভোটের আগে হুমায়ুন কবীরকে Y+ ক্যাটাগরির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের আবহের মধ্যেই ভরতপুরের বিধায়ক Humayun Kabir-কে Y+ ক্যাটাগরির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই নিরাপত্তা অনুমোদনের পর ১২ জন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কর্মী তাঁর মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের বাড়িতে পৌঁছে যান। জানা গেছে, এই বাহিনীর সদস্যরা Central Industrial Security Force (CISF)-এর অন্তর্গত।
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেলেন হুমায়ুন কবীর
রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। যদিও তাঁর কাছে রাজ্য পুলিশের নিরাপত্তা ছিল, তবুও তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য আবেদন জানান।
এই বিষয়ে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠান। আবেদন পাওয়ার পরই বিষয়টি পর্যালোচনা করে তাঁকে Y+ ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এই মন্ত্রকের নেতৃত্বে রয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah।
নতুন রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন
এদিকে একই দিনে হুমায়ুন কবীরের নতুন রাজনৈতিক দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র রেজিস্ট্রেশনও অনুমোদন পেয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রথমে দলের নাম ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ রাখা হলেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে একই নামের আরেকটি দল থাকায় দলের নাম পরিবর্তন করে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন দলের নাম নিয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি কোনও আপত্তি না আসে, তাহলে নির্বাচন কমিশন দলটিকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারে। এরপর দল প্রতীক চেয়ে আবেদন করতে পারবে এবং সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খুলে যাবে।
তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি Jay Prakash Majumdar কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি দাবি করেন, এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, অতীতে হুমায়ুন কবীর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং সেই সময় তাঁর সমর্থনে প্রচারও হয়েছিল।
তবে কেন্দ্রের তরফে এখনও পর্যন্ত এই নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত সরকারি ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।